পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘প্রচেষ্টা’ (Prochesta) scheme

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘প্রচেষ্টা‘ (Prochesta) scheme শুরু করেছে। যারা কোনো রূপ সাহায্য পান না তারা এটির আবেদন করতে পারেন।

করোনা ভাইরাসের এই সময়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই পদক্ষেপের সকলে সাধুবাদ জানাই।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পদক্ষেপ

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলে যাতে সাহায্য পায় তার জন্য এই প্রকল্পটির কথা ঘোষণা করে।

সরকারের অধীনে বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প এর আগেও প্রচলিত ছিল যার মাধ্যমে গরিব মানুষ সাহায্য পেয়ে আসছে।

করোনা ভাইরাসের জন্য রাজ্যে লকডাউন করতে হয়েছে। আর তার জন্যেই গরিব মধ্যবিত্ত মানুষেরা তাদের আর্থিক যে সংগতি সেখান থেকে কিছুটা হলেও পিছিয়ে পড়েছে।

সেই আর্থিক অবস্থার অবনতিতে গতি সঞ্চারের জন্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই ধরনের প্রকল্পের উপস্থাপনা সকলের কাছে আশার সঞ্চার করেছে।

প্রকল্পটির মাধ্যমে গরিব পরিবারের কিছু আর্থিক সাহায্যের মাধ্যমে অবস্থার পরিবর্তনে সাহায্য করতে সরকার উদ্যোগী।

এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ওয়েবসাইট-এ গিয়ে়েও দেখতে পারেন।

প্রচেষ্টা প্রকল্পে ফর্ম ফিল আপ চলছে

পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রকল্পের নাম দিয়েছে ‘প্রচেষ্টা’। এই নামেই বোঝা যাচ্ছে সরকার গরিব পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা কে গতি দিতে প্রকল্পটির উৎপত্তি।

‘প্রচেষ্টা’ প্রকল্পে আবেদনের জন্য করণীয় কাজগুলিকে সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে বিস্তারিতভাবে জানানোর চেষ্টা করেছে।

আবেদনের জন্য কারা যোগ্য এবং কিভাবে আবেদনটি করতে হবে, তার বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হল–


18 থেকে 59 বছরের যে সকল গরিব প্রার্থী-

ডকুমেন্টস:

‘প্রচেষ্টা’য় আবেদন এর জন্য যে প্রমাণপত্র গুলিকে সঙ্গে দিতে হবে তাহল–

  •  ব্যাংক পাস বই এর জেরক্স
  •  আধার কার্ড এর জেরক্স
  •  রেশন কার্ড এর জেরক্স( না থাকলে লাগবেনা)
  • ভোটার কার্ড এর জেরক্স
  • ২ কপি পাস পোর্ট ফটো।

আরো দেখুন: YouTuber Jake Paul Denies Looting Arizona Mall

  • বিডিও অফিসে বা পঞ্চায়েত, কাউন্সিলার দের মাধ্যমে জমা দিন।
  •  আগামী সোমবার থেকে ১৫ ই মে পর্যন্ত। ১০০০ টাকা ১ বার সাহায্যের জন্য।।

 

কারা এটি জমা করবেন না

১.যারা ২৫ টাকার বই (SSY) করেছেন
২.যারা বেকার ভাতা পান
৩.যারা বৃদ্ধ ভাতা পান
৪.যারা বিধবা ভাতা পান
৫. আরো অনেক ভাতা যারা পান
পুরোহিত, মাওলানা, গান শিল্পী আরো অনান্য

 

রাজ্য সরকারের প্রচেষ্টা প্রকল্প

আরো পড়ুন: Vidyut Jammwal Create a Official YouTube Channel.

কারা আবেদন করতে পারবে:-


পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা দিনমজুর বা শ্রমিক যিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যাক্তি করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মসংস্থানের সুযোগ হারিয়েছেন এবং যার আয়ের অন্য কোনো বিকল্প নেই এরকম ব্যাক্তি।

 

কীভাবে আবেদন করবেন:-


জেলার ক্ষেত্রে জেলাশাসক এবং কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের বাসিন্দা হলে কমিশনার, KMC এর কাছে (ফর্ম্যাট – Annexure-A অনুযায়ী) আবেদনকারী ব্যাক্তিদের আবেদনপত্রটি ব্যক্তিগতভাবে জমা দিতে হবে।

 

কোথায় আবেদনপত্র পাবেন ও জমা দেবেন:

১. জেলার ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অফিস বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক মনোনীত অফিস
২. কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এলাকার বাসিন্দা হলে কমিশনার অফিস, কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনারের অফিসে –

*আবেদনপত্র টি বিনামূল্যে পাওয়া যাবে।
*আবেদনকারীকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবেদন জমা দিতে হবে।

#একটি পরিবারের একজনই এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

#রাজ্যের অন্য কোনো সামাজিক সুরক্ষা যোজনার অন্তর্গত কোনো পেনশন (বার্ধক্য, বিধবা এবং প্রতিবন্ধী) প্রকল্পের সুবিধাভোগী হলে আবেদন করতে পারবেন না।

প্রচেষ্টা প্রকল্প সম্পর্কিত

পশ্চিমবঙ্গ সরকার মহামারী সময়ে জনসাধারনের ক্ষতি কে লাঘব করার জন্য প্রচেষ্টা প্রকল্পটিকে নিয়ে এসেছেন।

প্রকল্পে আবেদনকারীরা আবেদনের নির্দিষ্ট বিধিকে মেনে নিয়ে আবেদন করবে।

অবশ্যই মহামারীর মোকাবেলায় যে পদক্ষেপগুলি আগেও ছিল সেইসব সোশাল ডিসটেন্স থেকে শুরু করে অন্যান্য করণীয় কর্তব্য গুলোকে পালন করতে হবে।

যে সকল পরিবার বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পেয়ছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে এর আগে, তারা এই প্রকল্পের বিষয়টিকে বুঝে কাজ করবেন।

আবেদনের জন্য যে সময়সীমা সরকার নির্ধারিত করেছে সেই সময়সীমাটিকে সরকার পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

তাই আবেদনকারীরা আবেদনের জন্য যেন বেশি উৎসাহিত হয়ে, উদ্দেশ্যকে ভুলে না যান।

@এই প্রকল্পটি 15 ই এপ্রিল, 2020 15 ই মে, 2020 পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট

Leave a Reply