Indian education can’t go online

Indian education can’t go online because only 8% people have there computer with internet link.

Indian education can't go online
Indian education online

 

Indian education can’t go online

কোভিদ-১৯  -এর এই সময়ে এসে বোঝা যাচ্ছে, অসুবিধা আমাদের ধনী-গরিব, ছেলে-মেয়ে, বৈদ্যুতিক মাধ্যম সম্পর্কে কতটা সজাগ ও পরিকল্পিত।
ভারতের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় গুলি হঠাৎ করেই মার্চের শেষে বন্ধ করে দিতে হয় কোভিদ-১৯ ছড়িয়ে পড়ার জন্য।
এই সময় দাঁড়িয়ে এটা বলা খুবই মুশকিল যে স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় কবে আবার নতুন করে খুলবে।
কিছু নতুন দরজা খোলার চেষ্টা হয়েছে ডিজিটাল মাধ্যমে এর ব্যবহার করে অনলাইনে মুখোমুখি ক্লাসের অভ্যাস বজায় রাখার।
বিভিন্ন স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলি তারা সমস্ত শিক্ষকদেরকে নির্দেশ দিয়েছিল ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক রাখার ভার্চুয়াল ক্লাস এর মাধ্যমে।
কিছু অনলাইন কোর্স ও ওপেন করেছিল ছাত্র ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে।
এইরকম হওয়াতে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্র-ছাত্রী সকলের কাছেই একটা বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিভিন্ন সমস্যা সামনে আসছে।
 

Digital divide (ডিজিটাল বিভাজন)

বড় সমস্যার মধ্যে ডিজিটাল লার্নিং এর ব্যবহার। এটি ইলেকট্রিক এবং ইন্টারনেট কানেকশান দরকার হচ্ছে কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের সঙ্গে।
সত্য কথা বলতে গেলে ডিজিটাল শিক্ষার ক্ষেত্রে ইলেকট্রিসিটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
 ইলেক্ট্রিসিটি ছাড়া কোন কিছুই করা সম্ভব নয়। এছাড়াও সঙ্গে থাকতে হবে ইন্টারনেটের সংযোগ।
ভারত সরকারের সৌভাগ্য স্কিম-এর অধীনে 99.9% ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছে।
 কিন্তু দেখা যাচ্ছে সমস্ত ঘরে দিনে কয়েক ঘণ্টায় ইলেকট্রিসিটি তারা পায়।
অনলাইন ক্লাস নিতে হলে যে কম্পিউটারের প্রয়োজন সেই কম্পিউটার না থাকলেও আমাদের মোবাইল সেই চাহিদাকে পূরণ করার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে।
মোবাইলে বিভিন্ন এপস এর মাধ্যমে কোনো গবেষণা ছাড়াই এই সকল অনলাইন ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে।
বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এসেছে ভারতে প্রায় 24 শতাংশ মানুষ নিজেদের স্মার্টফোন ব্যবহার করে।
আর বাকি ২৮% মানুষ পাওয়া গেছে যাদের কম্পিউটারস, ল্যাপটপস, নোটবুকস, নেটবুকস, ট্যাবলেট আছে।
ভারতের ৮ শতাংশ মানুষের বাড়িতে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগ আছে।
কিন্তু দেখা গেছে সব বাড়িতেই নিজস্ব কম্পিউটার এবং নিজস্ব ইন্টারনেট সংযোগ না থাকার ফলে আজকের এই ডিজিটাল ক্লাসের অসুবিধা হচ্ছে।
ডিজিটাল ক্লাসরুম তৈরি হলে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীরা এই সময়ে লাভবান হবে।
 

বয়সের পার্থক্য

 
ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে ৬৭% ছেলেরা এবং ৩৩% মেয়েরা ব্যবহার করে থাকে।
ভারতের গ্রামীণ এলাকায় এই শতাংশের পরিমাণ আরো বেশি সেখানে 72% ছেলেরা এবং 28% মেয়েরা ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে।
সরকার এইরকম অনলাইন শিক্ষার কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই যে উদ্যোগ নিয়েছে, সেটি পরবর্তী সময়ে এই অসুবিধা গুলি কি কাটিয়ে ভালো দিকে নিয়ে যাবে বলে সকলে আশাবাদী।
এই লকডাউনের সময়েও কোন টেলিকম অপারেটর, ব্রডব্যান্ড সার্ভিস প্রোভাইডার-রা কোন সুবিধাজনক অফারের কথা ঘোষণা করেনি ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে।
তাহলে এই অনলাইন শিক্ষাকে কিভাবে ফলপ্রসূ করবে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ও অভিভাবকরা।
এছাড়াও যেসকল সমস্যাগুলি টেলিকম মাধ্যমের কাছ থেকে আসে তাহলো ইন্টারনেটের গতি ও সিগন্যাল সম্পর্কিত।
এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে ইন্টারনেটের গতি ও সিগন্যাল ঠিকভাবে না থাকায় অনলাইনের ক্লাস গুলিকে নিতে অনেক অসুবিধা হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের।

Digital infrastructure

 
কেন্দ্র ও রাজ্যে ডিজিটাল মাধ্যমে যে ব্যবস্থা করা আছে সেটা এই সময় দেখা যাচ্ছে পর্যাপ্ত নয়।
ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার-কে আরও খরচা করে তার ব্যবস্থা গুলিকে উন্নত করতে হবে।
কোভিদ-১৯ মহামারী এসকল ব্যবস্থা গুলির যে সন্তুলন সেটাকে নাড়িয়ে দিয়েছে।
 শহর থেকে গ্রাম, ছেলে থেকে মেয়ে, ধনী থেকে গরিব, সকলেই এই বিষয়টি বুঝতে পেরেছে এবং অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছে।

Leave a Reply