How to Get Scholarships in Mphil-PhD Program

How to Get Scholarships in Mphil-PhD Program কিভাবে অংশগ্রহণ করবে। এরকম ভাবেই প্রত্যেকটি স্টুডেন্ট গুগলে গিয়ে সার্চ করে থাকে।

তারপর তাদের সামনে যে রেজাল্ট গুলো আসে সেখান থেকে একটি করে তারা দেখতে থাকে।

How to Get Scholarships in Mphil-PhD Program
How to Get Scholarships in Mphil-PhD Program

এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি সেই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের কে জানাব তারা How to Get Scholarships in Mphil-PhD Program পাবে। এবং কিভাবে এমফিল পিএইচডি করার সময় স্কলারশিপ কিভাবে পাবে।

স্নাতকোত্তর ডিগ্রী

স্নাতকোত্তর ডিগ্রি করার পরে তারা যখন এমফিল বা পিএইচডি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে চাই তখন তাদের যে যোগ্যতা দেখা হয় তারমধ্যে স্নাতকোত্তরে ৫৫% পেতে হয়।

এই ডিগ্রিতে যদি তারা ৫৫% পেয়ে থাকে সাধারণ ক্যাটাগরির ছাত্রছাত্রীরা তাহলে তারা এমফিল বা পিএইচডি-তে ভর্তির সুযোগ পায়।

এই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে যদি কেউ রেজাল্ট ক্যাটাগরিতে হয়ে থাকে তাহলে তাদের সরকারি হিসেব অনুযায়ী যে ছাড় দেওয়া হয়, সেটা তারা পেয়ে থাকে।

এমফিল পিএইচডি-তে ভর্তি

যে সকল বিষয়গুলো বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পড়ানো হয়, সেই বিষয়গুলির উপর গবেষণার জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয়।
আবেদনের পর যারা এই প্রোগ্রামে নির্বাচিত হয় তারাই এমফিল পিএইচডি করার সুযোগ পায়।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার একটি ঘোষণার মাধ্যমে জানিয়েছে যেসকল ছাত্রছাত্রীরা এমফিল এবং পিএইচডি প্রোগমে

ভর্তি হয়েছে তাদেরকে মাসিক হারে স্কলারশিপ দেওয়া হবে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্কলার্শিপ

পশ্চিমবঙ্গ সরকার এমফিল এবং পিএইচডি ডিগ্রি কোর্সে ভর্তির প্রার্থীদেরকে স্কলারশিপ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।
যে সকল ছাত্র-ছাত্রী এমফিল পাঠরত তাদেরকে মাসে 5000 টাকা করে এবং যারা পিএইচডি করছে তাদেরকে মাসে 8000 টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।
এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিভিন্ন চালু স্কলারশিপ এর মধ্যেও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করেছে।
বিগত বছর গলিতে যারা নেট বা সেট পাস করেছিল না তাদের নিজস্ব টাকায় এই ডিগ্রী করতে হতো।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার এটার গুরুত্ব বুঝে তাদেরকে স্কলারশিপের ব্যবস্থা করে দিয়েছে।
আরো দেখুন: WBBSE Madhyamik Results 2020

কেন্দ্রীয় সরকারের স্কলার্শিপ

ভারত সরকার বিভিন্ন রাজ্যে গবেষণারত এমফিল এবং পিএইচডি প্রার্থীদেরকে স্কলারশিপ এর মাধ্যমে গবেষণা করার সুযোগ করে দিয়েছে।
স্নাতকোত্তর পাঠরত অবস্থায় তারা স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য পরীক্ষা দিতে পারে।
এই পরীক্ষা গুলির মধ্যে তারা নেট পরীক্ষা কে সর্ব স্তর থেকে উপরে রেখেছে।
স্নাতকোত্তরে থাকাকালীন নেট পরীক্ষায় বসা সম্ভব। পরীক্ষায় বসতে হলে তাদেরকে স্নাতকোত্তরে 55% মার্কস থাকতে হয়।
নেট পরীক্ষা পাস প্রার্থীদেরকে দু’ধরনের ক্যাটাগরিতে ভাগ করে। কিছু ক্যাটেগরিদের ফেলোশিপ দেওয়া হয় আর কিছু দেরকে লেকচারশীপ দেওয়া হয়।
এই ফেলোশীপের পরিমাণ অন্য সব ধরনের থেকে অনেক বেশি।

Leave a Reply