How to get Admission PhD?

সবার মনে একটা প্রশ্ন সব সময় থাকে, সেটা হচ্ছে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি কিভাবে করবে (How to get Admission PhD?)

গবেষণা শব্দটির প্রতি আকর্ষণ থাকাটা স্বাভাবিক। গবেষনায় উঠে আসে বিষয়টির আগেই চিন্তন করা দরকার কাজ করার মনোভাবীদের।

 

How to get Admission PhD?
How to get Admission PhD?

পিএইচডি করতে হলে যে বিষয়গুলো কে মাথায় রেখেই এগোতে হবে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে এখানে।

আরো দেখুন: Indian education can’t go online

How to get Admission PhD?

প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয় পিএইচডি করানোর জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয়। তাতে যে সকল প্রার্থীরা অংশগ্রহণ করতে পারে।

তাদের যে যোগ্যতা থাকতে হবে, সেগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে এখন থেকে মাথায় রাখতে হবে।

প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত সমস্ত কলেজগুলি থেকে আগত প্রার্থীরা এবং অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রার্থীরাও এই পিএইচডি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে পারে।

PhD Subject

মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে যে বিষয়গুলো স্নাতকোত্তর স্তরে পড়ানো হয়, সেই বিষয়ের ওপরেই তাদেরকে পিএইচডি করানোর জন্য আবেদন চাওয়া হয়।

প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট কলেজ গুলির সংখ্যা ধরলে 50-60 হয়ে থাকে। যখন তারা গবেষণার জন্য গবেষক আহ্বান করে তখন তাদেরকে বিশেষ বিশেষ যোগ্যতা থাকার জন্য বলা হয়।

প্রত্যেক কলেজে বিষয় ভিত্তিক যে পড়াশোনা করানো হয়, তাতে তারা যে বিষয়গুলো পড়ান সব বিষয় বিশ্ববিদ্যালয় পড়ানো হয় না বা গবেষণা করানোও হয় না।

আরো পড়ুন: We don’t need No Education

UGC Guidelines

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন যে গাইডলাইনস দিয়েছে গবেষণা করার ক্ষেত্রে, সেটাকে মাথায় রেখে প্রত্যেক রাজ্যের প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের নিজস্ব গাইডলাইন তৈরি করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন দুটো ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণার জন্য আবেদন গ্রহণ করতে পারে বলে গাইডলাইনসে জানিয়েছে।

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি পিএইচডি মানে ডক্টর অফ ফিলোসফি এবং এমফিল (মাস্টার অফ ফিলোসফি) করানোর জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারে।

কলেজ প্রার্থীরা যখন উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে স্নাতকোত্তরে ভর্তি হয়, তখন থেকে তাদের মনে গবেষণার বীজ বপিত হয়।

Prepare for PhD

তারা তখন থেকে গবেষণার মানসিকতা তৈরি করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যে নিয়ম গবেষণার জন্য তাতে, স্নাতকোত্তরে প্রার্থীদেরকে 55% নাম্বার সহ পাস করতে হবে নেট বা সেট।

নেট বা সেট পাস বাধ্যতামূলক না হলেও 55% স্নাতকোত্তরে পেতেই হবে যদি তারা সাধারন ক্যাটাগরিতে থাকে।

যারা রাজ্যের ক্যাটাগরিতে থাকে, তারা কিছু ভর্তি প্রক্রিয়ায় ছাড় পায়। তাদেরকে ভর্তিতে দিতে 5% ছাড় দেওয়া হয়।

আরো পড়ুন: Final Semester Examinations conducted all Universities

মন্তব্য:

গবেষক হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার আগে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে। গবেষণার কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয় যা একজন গবেষককে একাই পার করতে হয়।

বিষয় যাই হোক না কেন সবক্ষেত্রেই পূর্বপ্রস্তুতি একটা বড় ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে। তাই যে বিষয় নিয়ে গবেষণা করতে চাই, তার ওপর পূর্ণ চিন্তন আবশ্যক হয়ে পড়ে।

Leave a Reply